Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮

ভূমিকা

গত শতকরে সত্তররে দশকরে একবোরে শুরুতে যুদ্ধ বিদ্ধস্থ  স্বাধীন বাংলাদেশে  গ্রাম বাংলার সার্বিক উন্নয়নরে লক্ষ্য,দ্বি-স্তর বিশিষ্ট কুমল্লিা সমবায় পদ্ধতরি অভূতর্পূব সফলতাকে র্পযায়ক্রমে সারা  দেশে সম্প্রসারণরে জন্য সরকার আইআরডিপি (র্বতমানে বিআরডিবি)-কে তৎকালীন সরকার র্কতৃক দায়ত্বি র্অপণ করনে। এরই অব্যবহতি পর,আইআরডিপি র্কতৃক পরিচালিত থানা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি বা টসিসিএিগুলোর জাতীয় র্শীষ সমবায় প্রতষ্ঠিান হিসেবে তৃতীয় বিশ্বের হত দরিদ্র শোষিত ও মেহনতি মানুষরে নেতা র্সবকালরে র্সবশ্রেষ্ঠ ব্ঙ্গালীর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আইআরডিপির সহযোগী প্রতষ্ঠিান হিসেবে ১৯৭৩ সালরে ২৮শে আগষ্ট মাসে বাংলাদেশ  জাতীয় পল্লী  উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশন গঠন করেন এবং এর মাধ্যমে ডঃ আখতার হামিদ খান সাহবেরে উদ্ভাবিত দ্বি-স্তর বিশিষ্ঠ  কুমিল্লা সমবায় পদ্ধতি চালু করনে। এই প্রতিষ্ঠানেরে মূল লক্ষ্য গ্রাম বাংলার মানুষ, বশিষে করে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, মহিলা ও বিত্তহীন মানুষদেরকে সমবায়ের মাধ্যমে সংগঠিত করা এবং তাদরে র্আথ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য সার্বিক সহায়তার ভুমিকা পালন করে।

            স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের বিপর্যস্ত গ্রামীণ র্অথনৈতিক অবস্থা ও কাঠামোকে সমবায়ের মাধ্যমে পুনঃগঠন ও পুনঃবাসন করার লক্ষ্যে আধুনিক পদ্ধতির চাষাবাদের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, আতর্কমসংস্থানের ক্ষেত্র সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ড গ্রহণে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ফেডারেশনের যাত্রা শুরু।

            জন্মলগ্ন থেকে এই প্রতিষ্ঠান সমবায়ীদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, নেতূত্ব সৃষ্টি পুজিগঠন ক্ষুদ্র ঋণ দাদন ও আদায় ইত্যাদি নানাবিধ কার্যক্রমে সহায়তা দিয়ে আসছে। এছাড়া প্রচার ও প্রকাশনার মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানটি জনগণ ও সমবায়ীদেরকে উদ্ধৃদ্ব ও সচেতন করে আসছে। সমবায়ীদের সমস্যা ও সংকট এবং সম্ভাবনা ও সমাধান এর কথা সরকার ও বিভিন্ন বাস্তবায়নকারী সংস্থার নজরে এনে তা সমাধানের ব্যাপারে বলষ্ঠি ও র্অথবহ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।


Share with :

Facebook Facebook